দক্ষিণ কোরিয়াগামী তরুণদের বোয়েসল ঘেরাও, বিক্ষোভ
রাজধানীর ইস্কাটনে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের
(বোয়েসল) কার্যালয় আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকে ঘেরাও করে রেখেছে দেড় শ তরুণ।
ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছে, ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ সবকিছু চূড়ান্ত হওয়ার পরও গত দুই বছর ধরে তারা দক্ষিণ কোরিয়া যেতে পারছে না। এর প্রতিবাদেই তারা বিক্ষোভ করছে।
২০০৭ সালে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়া প্রতিবছর আট থেকে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার ঘোষণা দেয়। তবে এ জন্য ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
বিক্ষোভকারীদের মধ্যে আরিফুজ্জামান সুজন, মোরশেদুল হাসান, সাইফুল হাসানসহ আরও অনেকেই জানান, দুই দফায় ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় আট হাজার তরুণ। কিন্তু গত আড়াই বছরে মাত্র ৪৫০ জন বিদেশে গেছে। বাকিরা দীর্ঘদিন ধরে ঘোরাঘুরি করেও যেতে পারছে না। অথচ তাদের বলা হয়েছিল, সবকিছু চূড়ান্ত। দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই বিদেশে যাওয়া যাবে। তাদের অভিযোগ, সরকার এ ব্যাপারে জোর কূটনৈতিক তত্পরতা চালাচ্ছে না।
বোয়েসেলের মহাব্যবস্থাপক আমিরুল ইসলাম বলেন, বিক্ষোভকারীরা কিছু দাবি নিয়ে এসেছে। তাদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। তাদের বিদেশে যেতে দেরি হচ্ছে কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া এ বছর কত লোক নেবে এখনো ঠিক করতে পারেনি। সেটি চূড়ান্ত হলেই তারা বিদেশে যেতে পারবে।
(সূত্র: প্রথম আলো)
বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছে, ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ সবকিছু চূড়ান্ত হওয়ার পরও গত দুই বছর ধরে তারা দক্ষিণ কোরিয়া যেতে পারছে না। এর প্রতিবাদেই তারা বিক্ষোভ করছে।
২০০৭ সালে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়া প্রতিবছর আট থেকে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার ঘোষণা দেয়। তবে এ জন্য ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
বিক্ষোভকারীদের মধ্যে আরিফুজ্জামান সুজন, মোরশেদুল হাসান, সাইফুল হাসানসহ আরও অনেকেই জানান, দুই দফায় ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় আট হাজার তরুণ। কিন্তু গত আড়াই বছরে মাত্র ৪৫০ জন বিদেশে গেছে। বাকিরা দীর্ঘদিন ধরে ঘোরাঘুরি করেও যেতে পারছে না। অথচ তাদের বলা হয়েছিল, সবকিছু চূড়ান্ত। দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই বিদেশে যাওয়া যাবে। তাদের অভিযোগ, সরকার এ ব্যাপারে জোর কূটনৈতিক তত্পরতা চালাচ্ছে না।
বোয়েসেলের মহাব্যবস্থাপক আমিরুল ইসলাম বলেন, বিক্ষোভকারীরা কিছু দাবি নিয়ে এসেছে। তাদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। তাদের বিদেশে যেতে দেরি হচ্ছে কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া এ বছর কত লোক নেবে এখনো ঠিক করতে পারেনি। সেটি চূড়ান্ত হলেই তারা বিদেশে যেতে পারবে।
(সূত্র: প্রথম আলো)
Hazrat Ali, 2010-03-15 10:26, Hit : 244


Select Menu






